মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০১৫

নাটক যতো সাসপেন্সে ভরা থাকুকসালাউদদীন বেচে আছে এটাই রড় কথা

মেঘালয়ের শিলং পাহাড় এখানে পেজা তুলোর মত নরম  ভেজা বাতাস পাহাড়ি এলোমেলো আর আকাবাকা পথ ধরে কি রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা অমিত তার দুই নাইকার সাথে ঘুরতে বেরেয়েছিলেন বন্ধ গুমোট সহুরে বাতাসে দম বন্ধ হয়ে আসছিল বলে ,  তবে তো চিত্ত ফ্রফুললো করার জন্য মেঘালয়ের চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে ই পারে না ,নাগরিক সভতার চাপে ক্লান্ত মানুষ গুলি গাটের পয়সা খরচ করে ওখানে গুরতে যায় দেহ তনু মন সব কিছু শান্ত করে তবে ই না ফিরে আসে আপন আলয়ে ,সে দিক থেকে সালাউদ্দিন সাহেব কে উত্তম সাস্থ্যকর একটা জায়গাতে পাওয়া গেছে সেটা যেভাবে উনি সেখানে যান না কেন ,নিজের মত করে গেলে আসলে আর যাই হোক পাসপোর্ট টা তো আর বাসায় রেখে যেতেন না ওটা সঙ্গে নিয়ে খরচ করার মত ডলার এনডোরস করে তবে এ  ই না যেতেন তাই ধরে নেয়া তা স্বাবাবিক উনি আসলে নিজে থেকে যাননি দীর্গ দিন গোপন স্থানে থাকতে থাকতে এমনি মাথা পুরাপুরি ঠিক কারো থাকার কথা না আর এই সময় অন্য কেও তাকে ওখানে রেখে আসলেও হাওয়া পরিবর্তনের জন্য অতি উত্তম জায়গা .
কিন্তু ঘটনা আসলে কেমনে  কি ? সেটা আসলে জানা দরকার .আসলে তিনি যদি পালিয়ে ভিসা টিকেট ছাড়া ওপারে পালাতে পারেন সেটা না জানার দায়ভার ও প্রশাসনের তথা সরকারের তাই বড় বড় কথার তুবড়ি না ফুটিয়ে ব্রেন গেম আর চাপার জোর পরিক্ষা না কর অরক্ষিত সীমান্তের দায়ভার কার উপর বর্তায় সেটা জানা যেমন জুরুরী তেমনি কোনো ফোন আলাপের রেকর্ড কি কোথাও নাই ,যে দেশের গোয়ান্দা প্রধানমন্ত্রী  আর বিরোধী দলীয় নেত্রীর ফোন আলাপ ইউ টিউব এ আসা ঠেকাতে পারেনা তারা সালা উদ্দিন যাবার কোনো সুত্র তো বের করবেন নইলে সালাউদ্দিন এর মত একটা লোক সকলকে ফ্যাকি দিয়ে সীমান্ত রক্ষীদের বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বিএসফ এফ এর সীমান্ত চৌকি ভিসা টিকেট আর পাসপোর্ট ছাড়া এ হওয়া খেতে মেঘালয় কোলে যেতে পারেন তেমন একজন গাঘু গোয়ান্দার মত ফেলুদা নাকি ওখানে  গিয়ে নিজের নাম ঠিকানা গুলিয়ে ফেলে এটা কিভাবে ভাবি সীমান্তের এই পরের সালাউদ্দিন আর ওই পরের সালাউদ্দিন এর আচরণ হাওয়া বদলের মত বদলে যাবে এটা ভাবাটা বোকামি ,আর সরকার একটা প্রায় মৃত বাক্তি কে বাঁচিয়ে রেখে ভবিষত রাজসাক্ষী বানানোর সুযোগ করে  দেয়ার মত বোকামি কেন করবে ,তা কি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস মানে জো হোগা দেখা যায়েগা টাএইপ এটা তো সর্বনাশা আত্মবিশ্বাস দেকছি ,তবে আর যাই হোক আবার যেন ওয়ান ইলাভেন এর যে সকল স্বীকারোক্তি দেখা যায় ঈউটিউব ওই রকম এরশাদ টাইপের স্বীকারোক্তির পুনমন্চায়ন না
ঘটে ,এখন বুলবে একরকম যে রকম  দেখা যাবে  রবের মিডিয়া ইউইং এর সামনে লোকজন মিন মিন করে বলে আর লান্গ্রাতে লান্গ্রাতে চলে পরে দেখা যায় ওই লোক ই আবার প্রেস ক্লাব এ বাজ খাই গলায় বিপরীতধর্মী কথা বলে সেরকম যেন না ঘটে  এটাই আমাদের চাওয়া

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন