বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০১৫

যে ভাবে সময় কাটছে

হস্পতির অবস্থা একজন তুঙ্গে না থেকে তলানি থেকে শুরু হলো ,বের হলাম বাসা থেকে সকালের নাস্তা গীজিপুরে নয়তো পথে উত্তরা ওখান থেকে অফিসে ফিরে আবার যাত্রা শুরু উত্তর থেকে দক্ষিনে মানে কুমিল্লা রাত বারোটার আগে পারবত পৌছতে .পারলে ঘন্টা দুই গুমিয়ে কাটানো যাবে নইলে সকাল বেলা আবার ফেনী যাব ভেবে ছিলাম সেটা সম্ভব হবে যদি বৌএর শরীরটা আরো খারাপ হয়ে পরে তো তাকে নিয়ে আবার যদি হাসপাতালে ডিউটি দিতে হয় তো আল্লাহ জানে কি হয় ? কি করে যে বাস্ত মানুষগুলি সিডিউল সামলায় সামান্য এই টুকু সামলাতে দিশেহারা হয়ে যাই .তাদের আবার কিছু কাজ অদস্থনরা সামলে নেয় কিছু সামাল নেই তাদের টাকা আমাদের বাস্ত ও থাকতে হয় টাকা কমানোর জন্য আবার অত টাকা ও নাই যে আমার হয়ে টাকা কথা বলবে .তবু ও সুকরিয়া কারো কাছে চাইতে হয় না নিজের আকাশটা অনেক চোট করে জানালায় আকাশ দেখি বলতে গেলে জানালাও দেখিনা গুগলের দরজা টা কখনো পিসিতে কখনো লাপটপে ,কখনও ট্যাব নইলে মোবাইলে ,অফিসটাকে ওই যন্ত্র গুলি এমন ভাবে গ্রাস করেছে যে দুপুর বেলা অফিস ডাইনিং বন্ধের দিনটা বাচ্ছাদের তাও নতুন গেমস নামাও ওটা আবার এ আদটু খেলে দেখাও আর তেমন একটা বেশি ফোন ও করা হয় না ,শুধু অফিস মিটিং থাকলে কথা বলতে হয় , আসলে অবস্তা এমন দাড়িয়েছে যে ওটে এখন বেছে থাকার বাস্তবতা
অফিসে সকাল বেলা কে আসলো না আসলো দেখার দরকার নাই চা খেতে খেতে লগ রিপোর্ট টা ডাউন লোড করে নিলে কোন অফিসে কে কয়টায় আসলো ফাক্টরী তে করা আসলো আই পি কেম দেখচে কেও ফাকি দিচ্ছে নাকিমোবাইল ট্রাক দেখছে ফিল্ড অফিসার দের লোকেসান দশ মিনিট পরপর ডাটা সেভ হচ্ছে সার্ভারে ,ই আর পি তে অন্য অফিস কেও পোস্টিং দিল তো আপডেট তাই আর কার মাল ঢুকলো কার প্রডাক্ট বের হলো আর টাকা ব্যাঙ্ক এ আসলো সেটা অনলাইন দেখা যায় চাইলে পেমেন্ট ও ট্রান্সফার সেটা আবার সিডিউল করছেন ডিরেক্টর সার রা মাজে মধ্যে সেটা দেশের বাইরে থেকেও স্কাইপি ছাড়াও অনেক সফটওয়্যার আজকাল করা যায় ,বিমানের কিছু কিছু বাসের টিকেট ও কেনার জন্য যেতে হয়না া ,আমার এমডি সারের চোটো কেজি পড়ুয়া ওর বাসায় পড়ে যাবার মানে আমাদেরবাড়ির কাজ ওটা অনলাইন ওয়েব সাইট থেকে নামাতে হয় ,কয়দিন পর তো বাচ্ছারা ক্লাস ই করবে বাসায় স্টুডি রুমে বসে হলগ্রাপিক এল এই ডি তে ,এমন দিন চলে আসছে শেখার জন্য পড়তে ও হবেনা আমাকে অফিসের যে কাজ ই করতে বলা হোক আমি পিছু হইনা কোনো একটা জিনিস কিনতে হবে আগে jetar নাম ও শুনিনি দাম ও জানিনা চোখেও দেখিনি নো প্রবলেম সামান্য সময়ের মধে জগত সংসার তন্ন তন্ন করে একশ আটটা নীল পদ্দ কোথায় আছে কত টাকায় কিনতে পাওয়া যাবে কোনটা কোন বন্ধরে কোন জাহাজে বুকিং করা দেবে শীপ কত তারিখে পৌছবে আর শিপিং এজেন্ট সেটা পোর্ট থেকে আপনার বাসায়
Posted to all posted for all

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন